বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

ত্রিপুরায় ​রাজনৈতিক ​ষড়যন্ত্র?

একটি কাল্পনিক গল্প লিখছি: সত্যি না মিথ্যে? যাচাই সময় করবে


কোনো একটি দেশের- কোনো একটি রাজ্যে নির্বাচন, রাজ্য সরকারের সুপারিশ করা সি.ই.ও.'র তালিকা বাদ দিয়ে পছন্দ সই সি.ই.ও.'র নিযুক্তি হল.....হতেই পারে 


একজন এডিশনাল সি.ই.ও.'র ক্ষমতা খর্ব করার জন্য আরেকজন অতিরিক্ত এডিশনাল সি.ই.ও.'র  নিযুক্তি হলো, যাকে গুরুত্বপূর্ণ সব কিছুর দায়িত্ব দেয়া হল.....হতেই পারে 


আই.টি.
​ ​
সহ বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্র দেখার জন্য পাঁচ পাঁচজন ডেপুটি সি.ই.ও.'র  নিযুক্তি হল, বাছাই করা হলো তাদের যাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা কম,.....হতেই পারে 



ভিডিও রেকর্ডিং এর যে কাজটি ৫০ লক্ষ টাকায় করা যেত, ওয়েব কাস্টিং-এর খরচ দাঁড়াবে প্রায় ৫ কোটি টাকা- এই নিয়ে একজন এডিশনাল সি.ই.ও.'র সঙ্গে সি.ই.ও.'র (যিনি চান ওয়েবক্যাস্টিং হওক) বিরোধ.....হতেই পারে    


ওয়েব কাস্টিং-এর  নামে টেন্ডার করা হলো, গুজরাটের একটি কোম্পানিকে বরাত দেয়া হল, সঙ্গে সার্ভিস প্রোভাইডার এয়ারটেল.....হতেই পারে   


ওয়েব কাস্টিং-এর কাজ দেখার জন্য একজন একজন  ডেপুটি  সি.ই.ও. কে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হল .....হতেই পারে   


ওয়েব কাস্টিং -এর ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড কোনো একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে দেয়া হল... এটা হতে পারে না


রাত নয়টা অব্দি মাস্টার প্ল্যান ঠিক ছিল, বাধা হয়ে দাঁড়ালো বি বি সির এক সাংবাদিকের একটি ভিডিও,যেটা সোসাল মিডিয়াতে ভাইরাল হল। একটি রাজনৈতিক দলের "বিশ্বকর্মা" নামক এক নেতা ভাষণ দিলেন- এই রাজ্যের  মুখ্যমন্ত্রী সহ অনেককে অন্য দেশে পাঠিয়ে দেবেন। সাংবাদিক বন্ধু এই বিষয়টা নিয়ে মেসেজ দিলেন বর্তমান সরকারের প্রত্যাবর্তন অবিশ্যম্ভাবী
​ আর​
বিশেষ একটি ধর্ম নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের পতন নিশ্চিত। ভিডিওটি দেখলেন একজন মহিলা ডেপুটি  সি.ই.ও.,  দেখালেন গিয়ে আই.টি.'র  দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি  সি.ই.ও. কে। দেরিতে হলেও বিবেক জাগলো  আই টি'র দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি সি.ই.ও.'র- নিজের ভুল বুঝতে পারলেন। নিজেই পরিবর্তন করেদিলেন সব পাসওয়ার্ড। পরিবর্তন করলেন ওয়েব কাস্টিং-এর ডাটা ট্রান্সফার চ্যানেল। "VM" নামক কোম্পানি, যারা বরাত পেয়েছিলেন ওয়েবকাস্টিংয়ের- তাদের থেকে, আর.ও.'র কাছ থেকে ও
​ এক্সেস
 তুলে নেওয়া হলো, শুধু ডি.এম.'রা 
এক্সেস পেলেন। 


হঠাৎ করে লিংক ফেল, পাগল হয়ে
​ ​
গেলো ওই
​​
রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রীরা। রাত বাড়ার
​ ​
পর লাল একটিগাড়ি ("...U0560") নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন ওই রাজনৈতিক দলের লোকরা লিংক ফাইলের কারণ জানতে। একটি বুথ কেন্দ্রে ঢোকার সময় গেইটে নিরাপত্তা রক্ষীদের বললেন তারা সি সি
​ ক্যামেরা​
লাগাতে এসেছে। কোনো কাগজ পত্র না দেখে নিরাপত্তা রক্ষী তাদের ভিতরে প্রবেশ করার সুযোগ করে দেয়

"সন্ধ্যের সময় সি সি
​ক্যা​
মেরা লাগানো হয়েছে ওই কেন্দ্রে, আবার কেন?" - ঐখানে পাহারারত শাসক দলের কর্মীদের সন্দেহ হয়। মোবাইল ক্যামেরায় তাদের ছবি নেয়া হয়, দেখতে পাওয়া যায় এই টিমটির সঙ্গে আছে
​​
ষড়যন্ত্রকারী রাজনৈতিক দলের কর্মীরা।
ষড়যন্ত্রকারী রাজনৈতিক দলের
কর্মীরা মুখ লুকায় চাদরে। দ্রুত বেগে পালিয়ে যায় তারা।  পিছু করা হয় তাদের। অন্ধকার একটি জায়গায় গাড়িটিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।কিছুক্ষন পর গাড়িটি গিয়ে ষড়যন্ত্রকারী রাজনৈতিক দলের এক নেতার বাড়িতে গিয়ে পার্ক করে। ডেপুটি  সি.ই.ও.'র কারণে
​​
ষড়যন্ত্র
​ আপাতত​
ব্যর্থ হয় ।