শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

আপনাকে বলছি ~ অনিন্দ্য সেনগুপ্ত

বিধিসম্মত সতর্কীকরণ – আপনি মানুষের ভালোত্বে বিশ্বাস করলে এই পোস্ট পড়বেন না। পোস্টটি ভায়োলেন্ট এবং অশ্লীল।

আপনার মন ভালো নেই, কিন্তু আপনি সেটা বুঝতে পারেন না, তাই আপনার মনে হয় আপনার কোনো সমস্যা নেই।
কৈশোর যখন এলো তখন আপনার তলপেটের নিচে লোমের উন্মেষের সময়ে আপনি ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। আপনি বিচিত্র হয়ে উঠবেন, আপনি আর সবার মতন থাকবেন না, এই আতংক আপনাকে গ্রাস করেছিল। আপনি কাউকে বলতে পারেননি, মাকেও না। এই প্রথম আপনার মনে হল যে একটা ভয়, কষ্টের কথা মাকে বলা যাবেনা। তারপর আপনার বন্ধুর কাছে স্বাভাবিকত্বের শিক্ষা পেয়ে আপনি নিশ্চিন্ত হয়েছিলেন। কিন্তু আপনার সেই কদিনের আতংক মনের কোনে লুকিয়ে পড়েছিল, বলে যায়নি।
মাঝে মাঝেই মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে সেই সুপ্ত আতংক – আপনি বিচিত্র, , মানুষ আর বাঁদরের মাঝামাঝি বনমানুষ – কিন্তু আতংকটা আর সেই শৈশবের আতংকের চেহারাটা নিয়ে তো আসে না, আপনি আতংকটা আর চিনতেই পারেন না। আতংকটা সেই একই আতংক – আপনি আর পাঁচজনের মত থাকবেন না।
আপনি সবার মত হতে চান। কিন্তু সবাই একজ্যাক্টলি কিরকম আপনি জানেন না। আপনি একটা সহজ পন্থা নিয়েছেন, বেশিরভাগ মানুষ মুখে যা বলে তারা নিশ্চয়ই তাই, তাই মুখে মুখে ফেরা কথা শুনে আপনি সবার মত হয়ে যেতে চান।
কিন্তু মুশকিল ওই – তাও আপনি বুঝতে পারেন না যে আর সবকটা মানুষ কিরকম – তাই আরেকটা সহজ পদ্ধতি নিয়েছেন। আর পাঁচটা মানুষ কি রকম হতে চায়না সেটা তাদের কথায় বোঝা যায় – সেখানে ব্যাপারটা অনেকটাই সহজপাচ্য – আপনি এবার জানেন আর পাঁচটা মানুষ কি হতে চায়না – আপনি তা না হতে চাইলে আপনি সেই আর পাঁচজনের মত হয়ে যাবেন।
আপনি যৌনতা ভয় পান; এদিকে লিবিডো আপনাকে তাড়িয়ে বেড়ায়। আপনি পর্ন ভালোবাসেন, এদিকে এরোটিকায় আপনার ভয়। আপনি ফোরপ্লে করতে জানেন না, তাই আপনি আপনার সঙ্গিনীর তৃপ্তিকে আমল দেননি কখনো। আপনি আপনার সঙ্গিনীর তৃপ্তিকে ভয় পান, কারণ আপনি ফোরপ্লে করতে জানেন না। আপনি এখনও জানেন না সঙ্গিনীর অর্গাজম হলে কেমন হয়, কি হলে অর্গাজম হয়। আপনি যৌনতাকে ভয় পান।
আপনি ১৬ই ফেব্রুয়ারির যাদবপুর স্টেশনের ট্রেনটার সঙ্গে এইজন্যই একাত্ম হতে পারেন। কারণ ট্রেনটা থামেনি; আপনার ভয়ার্ত ঠাপনের মত থেমে যায়নি ট্রেনটা। ভয়ার্ত, কারণ আপনি দ্রুত ইজাকুলেশনের দিকে ছুটতে চান। মধ্যবর্তী সময়টা আপনাকে কি একটা আতংকে আপ্লুত করে যেটাকে আতংক হিসেবেও চেনা যায়না। আপনি পর্ন পছন্দ করেন, কিন্তু পর্নের পুরুষদের মত পারফর্ম করতে পারেন না, আপনি ফোরপ্লে করতে জানেন না। কিন্তু ইদানিং ইরেকশনের প্রবলেম হয় বলে ফোরপ্লে করতে চেষ্টা করেন। নিজেকে জাগাতে।
আপনি ঘুমিয়ে পড়ছেন। আপনার স্নায়ু, আপনার বোধজগত ঘুমিয়ে পড়ছে। আপনি আজকালকার অনেকগুলি আইডিয়া বোঝেন না – মি টু বোঝেন না, সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট বোঝেন না, সমকামীদের সম্মান বোঝেন না। বুঝতে চেষ্টা করতে গেলেও আপনি বোঝেন যে আপনি ঘুমিয়ে পড়ছেন – মাথাটা সব নতুন আইডিয়া নিতে পারে না। আপনার ডিগ্রী আছে, শিক্ষা নেই। আপনি বোঝেনও না বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ক্লাস হয় কেন। আপনি চান স্কুল লেভেলের পরেই সবকিছু করেসপন্ডেন্সে হয়ে যাক, আপনার কন্যা বাড়িতে থেকে উচ্চশিক্ষিত হোক। আপনার কন্যাকে একসময়ে স্কুলে দিয়ে আসতেন বাঁধা সময়ে, নিয়ে আসতেন বাঁধা সময়ে। এখন সে নিজের মত যায়, নিজের মত ফেরে। সেইজন্যেই।
এসব নিয়ে, হালফ্যাশানে নতুন হয়ে ওঠার প্রসঙ্গে যারা কথা বলে – বিশেষ করে মেয়েরা – আপনি তাদের ঘেন্না করেন। আপনি চান এমন একটা দিন আসুক যখন এদের ল্যাম্পপোস্টে ঝোলানো হবে, পেভমেন্টে গুলি করা হবে। আপনি তখন একবার হাতে বন্দুক চান, আপনি জানেন বন্দুক হাতে এলে আপনি কোথায় গুলি করবেন।
মুখে। হাঁ করা মুখ দিয়ে যে কথাগুলো বেরোয় আপনি বুঝতে পারেন না, স্লোগানের সময়ে মুখগুলো আপনার দূর্বোধ্য লাগে। আপনার ধর্ষকামে আপনি জানেন যে আপনি হাঁ করা মুখগুলো ধর্ষণ করতে চান। আপনার ধর্ষণে এইসব ছেলেমেয়েগুলো বোবা হয়ে যাবে, তাদের কথা তাদের গলায়, পেটে পেঁচিয়ে গিঁট পাকিয়ে যাবে। কিন্তু আপনি দাঁতকে ভয় পান। তাই আপনি চান সেই রামরাজ্য এলে আগে যেন এদের দাঁতগুলো খুলে নেওয়া হয়, তারপর আপনার যখন এক বিন্দুও অবশিষ্ট নেই আপনি তখন মুখে গুলি করবেন।
আপনি ১৬ই ফেব্রুয়ারির যাদবপুর স্টেশনের ট্রেনটার সঙ্গে এইজন্যই একাত্ম হতে পারেন – কারণ অবরোধের ঘাড়ের ওপর উঠে আসার পরেও ট্রেনটা থামেনি। একটি শ্লথ অথচ ভারি এবং অপ্রতিরোধ্য গতি আপনার পছন্দ – আপনার মগজের মত শ্লথ, আপনার অস্তিত্ত্বের মত ভারি, আপনার আকাঙ্খার মত অপ্রতিরোধ্য।
সেই যেদিন আপনার তলপেটের নিচে গজিয়ে উঠেছিল লোম, আপনি আরেকটা জিনিসের প্রতি আতংকগ্রস্থ হয়ে উঠেছিলেন – শরীর পালটে যাওয়া। 'শরীর' শব্দটা অবচেতনে চলে গেছে, থেকে গেছে শুধু পালটে যাওয়ার প্রতি আতংক। আপনি চান সমাজটা যেমন আছে তেমন থাকুক, আরো ভালো হয় যদি পিছিয়ে যায়। আপনার ঐতিহ্য পছন্দ। আপনি আসলে খোলনলচে পালটে যাওয়া নতুনের প্রতি আতংকগ্রস্থ, তাই এইসব বন্ধ-অবরোধ-বিক্ষোভ-বিপ্লব আপনাকে আতংকগ্রস্থ করে, কারণ পালটে গেলে কী যে আসতে পারে আপনি, আপনার শ্লথ মগজ বুঝতে পারেনা। যখন আপনি আপনার পালটে যাওয়া শরীরটাকে ভয় পাচ্ছিলেন, তখন আপনি বুঝতে পারছিলেন না যে আপনার সহপাঠিনী তার পালটে যাওয়া শরীরটা নিয়ে এত উৎফুল্ল কেন। তাকে দেখে আপনার কি যেন একটা রাগ তৈরি হয়েছিল, রাগটা থেকে গেছে, উৎসটা ভুলে গেছেন। ভাবছিলেন মেয়েটা কেন আপনার মত ভয় পাচ্ছে না? আপনার নিশ্চিন্তি ছিল যে মা পালটে যান না, কিন্তু সেই মেয়েটাকে দেখে যে রাগটা হয়েছিল তা আবার ফিরে আসছে বিচিত্র, দূর্বোধ্য এক দুশ্চিন্তায় - আপনার স্ত্রী কি পালটে যেতে পারে? কি এক অস্ফুট আতংক আপনার মধ্যে কাজ করে ধরতে পারেন না। ছায়ার মত ভয়টা যে কিসের, কত বয়স ভয়টার – আপনি ঠাওর করতে পারেন না।
তারপর দেখেন আপনার কন্যার শরীর পালটে যাচ্ছে, অথচ সেই মেয়েটাকে দেখার স্মৃতিটাও যে আপনার মনে পুকুরের তলা থেকে লাসের মত ভেসে উঠছে তাও নয়। সেই দশ-বারো বছরে দেখা দৃশ্যটা আবার আপনার চোখের সামনে – অথচ আপনি চিনতে পারছেন না।
আপনি টাইপ করেন – একটা ট্রেন চলে গেল, একটাও স্পট ডেড হল না?
স্তব্ধ, আটকে যাওয়া শরীর আপনাকে নিশ্চিন্ত করে – যে আর পাল্টাবে না। আপনার কন্যা পাল্টালে আপনি ভাবেন যে আপনি শিশুটার জন্য নস্টালজিক হয়ে পড়ছেন, স্নেহপ্রবণ হয়ে উঠছেন; আসলে আপনি ভয় পাচ্ছেন যে মেয়েটা পালটে যেতে পারে – যেমন আপনার স্ত্রীও পালটে যেতে পারেন।
আপনি তাই একজন ব্যক্তিকে নিয়ে আর ভাবতে পারেন না – আপনার স্ত্রী, আপনার কন্যা – মাথা ভোঁ ভোঁ করে। তাই আপনি গোষ্ঠীকে নিয়ে ভাবেন। সেই সহপাঠিনীর মতই আপনি দ্যাখেন যে একটা গোষ্ঠী আমূল পরিবর্তনের কথা বলে সমাজের, আর তাতে কি এক আমোদ যেন তাদের। আবার কেউ কেউ যেন পরিবর্তিতই হয়ে গেছে। পাড়ার কিশোরীটি ল্যাম্পপোস্টের নিচে প্রেমিকের থুতনিতে আঙুল বুলিয়ে আদর করছে – ওরা যেন আগামীর মানুষ আজকের সন্ধ্যেয় এসে হাজির হয়েছে। একটা বমির মত আতংক আপনার তলপেট থেকে (ঠিক যেখানে লোমগুলো দেখা দিয়েছিল) উঠে আসে – এরা পাল্টাচ্ছে, অথচ এদের কোন ভয় নেই, সেই দশ-বারো বছরের ভয়ে আমশি হয়ে যাওয়া ছেলেটার মত ভয় পাচ্ছে না এরা, পালটে যাওয়ায়।
বিচিত্র হতে ভয় পায় না এরা!
একটাও স্পট ডেড হল না?
বামপন্থীদের অপছন্দ আপনার; কিন্তু সেই বামপন্থী নেতাকে আপনি বাঘের বাচ্চা মনে করেন যিনি বলেছিলেন পুলিশের বন্দুকে কি নিরোধ পরানো আছে? আপনি মিলিটারি শাসন পছন্দ করেন। আপনি চান অফিসের জন্য বেরোনোর পর আপনার দোরগোড়ায় প্যারামিলিটারি মোতায়েন থাকবে; যখন আপনার স্ত্রী আর অফিসে যাবেনা। আপনি এও ভয় পান যে বিধর্মীদের যেদিন কর্ডন করা হবে তখন আপনার স্ত্রী যদি বলেন একজন বিধর্মীকে ধর্ষণ করে এসে সাচ্চা পৌরুষ প্রমাণ করতে – আপনি পারবেন তো?
আপনি চান আপনার ধর্ম আরবী ইসলামের মত হয়ে উঠুক। মক্কা হয়ে উঠুক অযোধ্যা। শরীয়ত হয়ে উঠুক মনু সংহিতা। পেট্রোডলারে আপনার ধর্মের পার্টি স্ফিত হয়ে উঠুক। ওরা লাভ-জিহাদ করছে, আপনি বলেন, আপনার স্ত্রী ফাওয়াদ খানকে কামনা করেন, আপনি ইয়ার্কি মেরেও বলতে পারেন না। আপনি বিধর্মীদের মত হয়ে উঠতে চান; কিন্তু আপনার নেতাদের সেই দাপট নেই, সেই পুঁজি নেই, নেই সেই লিঙ্গের মাপ আর দৃঢ়তা, নেই সেই শরীর।
শরীর। কি যে ভয় আপনার শারিরীকে।
আপনি বলেন – রেল একদম ঠিক করেছে, আর কোনোদিন অবরোধ মারাতে আসবে না। কিন্তু আপনিও জানেন – আপনার অপছন্দের লোকগুলোর পিষ্ট শরীরের খবর পেয়ে উল্লাস আপনার দ্বারাও হবে না। আপনি মানুষ নরম মনের বলে নয়, কারণ আপনি এখনও জানেন না যে আপনার যাদের অপছন্দ, যাদের আপনি ঘৃণা করেন তাদের ঠিক কি হলে আপনার তৃপ্তি হবে। আপনি শুধু অন্য কথা বলা মুখ, স্লোগান দেওয়া মুখ, কবিতা বলা মুখগুলোকে সেলাই করে দিতে চান – কথা বলে বলেই। বাকি শরীরটা নিয়ে কি করতে হবে আপনি জানেন না। ফ্র্যাঙ্কলি, আপনি তো কথাকেই ভয় পান শুধু, কথা বুঝতে পারেন না বলে। আপনি শ্লথ, ভারি – ট্রেনটার মত অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠতে চান। একটা শ্লথ ও ভারি জগদ্দল যে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠতে পারে – এই যেন আপনার সুপ্ত বাসনা। কিন্তু সেই ট্রেনটা কী করবে?
আপনি ১৬ই ফেব্রুয়ারির যাদবপুর স্টেশনের ট্রেনটার সঙ্গে এইজন্যই একাত্ম হয়েছেন কারণ সে আপনার স্বপ্নের ট্রেন। কারণ এই দৃশ্যটা আপনার স্বপ্নের দৃশ্য, আপনার সুপ্ত ইচ্ছের মেটাফর – একটি ভারি, শ্লথ জগদ্দল এগিয়ে আসছে আর অবরোধকারীরা ভয়ে পালাচ্ছে। এইটাই! ওদের ভয়! এইটাই আপনি দেখতে চান। আপনি পিষ্ট শরীর মোটেও দেখতে চাননি। আপনি অপরের, অন্যের, অন্য গোষ্ঠীর আতংক দেখতে চান!
কারণ সেই বালকটি এইটাই ভয় পাচ্ছিলো – যে ওর শরীর জুড়ে অন্যরকম, শরীর ফুড়ে উদ্যত বনমানুষ যেন ওর বালক শরীরটাকে পিষ্ট করে বেরিয়ে যাবে। নিজেকে চেনা যাবে না, শিশ্নের ওপর লোম, হাতে পায়ে লোম, যেন সেই বালকটি আর নেই! সবাই আপনাকে নিয়ে হাসবে, তার বদলে কী তৃপ্তিদায়ক যে সবাই আপনাকে দেখে ভয় পাবে! কিন্তু আবার আপনি একা আতংকও হতে চান না। ওটাই তো আপনার আদত ভয় – বিচিত্র একা হয়ে যাওয়া। আপনি চাইতেন যে আপনি একাকী বিচিত্র নন, আপনি আর পাঁচজনের মতই...হয়ে থাকুন!
কেন আপনি মানুষের গায়ের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়া ট্রেনটাকে ভয় পাননি বলুন তো? কারণ ট্রেনের মধ্যে লোক ছিল, সেই আর পাঁচজন সাধারণ মানুষ। ট্রেনটা ফাঁকা থাকলে আপনি একাত্ম বোধ করতেন না। আপনি তো এমন এক আতংক হয়ে উঠতে চান যার ওপর অনেক মানুষ সওয়ার হবে – আপনার ধর্মের মানুষ, আপনার দেশবাসী, আপনার ভাবনার শরীক যারা। আর আপনি সেই ট্রেন হবেন যে দেশের মানুষকে ঘাড়ে নিয়ে এগোচ্ছে অথচ যার যার শ্লথ অথচ অপ্রতিরোধ্য গতিতে বিক্ষোভ-বিপ্লব চাওয়া বিচিত্র অমানুষগুলো আতংকে সরে যাবে।
মনে আছে? যখন আপনি সেই প্যান্টের তলায় পালটে যাওয়া, ভয়ে আমশি হওয়া বালক ছিলেন আপনি ভাবতেন যে একদিন স্কুলে মেশিনগান নিয়ে যাবেন? আমেরিকায় ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর সঙ্গে আপনার সেই ইচ্ছেটার একটা তফাত আছে – না, আপনি ভাবেননি যে স্কুলের সবাই আপনার বুলেটে ঝাঁঝরা হয়ে যাক, আপনার বাসনা ছিল যে সম্ভ্রম করে, সম্মান করে সবাই আপনাকে গড় করুক, সমীহ করুক, হাততালি দিয়ে উঠুক আর যারা নিজেদের শরীর পাল্টাচ্ছে বলে নতুন পাওয়া আনন্দে আছে তারা আপনার মেশিনগানটা দেখে আতংকে সরে যাক আপনার পথের সামনে থেকে।
ঠিক যেমন ১৬ই ফেব্রুয়ারির যাদবপুর স্টেশনের সেই ট্রেনটা ...। আপনার স্বপ্নের ট্রেন।