বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

যাদবপুরে দ্রৌপদী ~ অনির্বাণ মাইতি

অতঃপর দ্রৌপদী একশো লেঠেল লইয়া ভ্যানিটি ভ্যানে চড়িয়া যাদবপুর আক্রমণ করিয়া বসিলেন। পথিমধ্যে নগরকোটাল পথ আটকাইয়া কহিল ভদ্রে এ বড় অবিবেচকের কার্য হইবে। যাদবকুল নেশাড়ু ও আক্রমণাত্মক তাহাদিগের সহিত যুদ্ধে আপনি কেন?  সেনাপতি তপনভানু কই? দ্রৌপদী হুঙ্কার  দিলেন কাহারেও লাগিবে না যাদবকুলের রক্ত দিয়া কেশবিন্যাস করিব। নগরকোটাল তবু রাজি নন  দেখিয়া দ্রৌপদী পথ অবরোধ করিয়া  বসিলেন। শকটযাত্রীরা শকট হইতে দ্রৌপদীকে ফ্রেমে রাখিয়া  সেলফি তুলিতে  উদ্যত হইলেন। বেগতিক দেখিয়া নগরকোটাল  দ্রৌপদীকে বলিলেন যাদবকুল অশালীন বিদ্রোহী ওখানে আপনি আক্রান্ত হইলে কে আপনার সম্ভ্রম  রক্ষা করিবে ?  কানহাইয়া তো কারাগারে। দ্রৌপদীর সম্বিত ফিরিল কানহাকে কে কারারুদ্ধ করিয়াছে?  নগরকোটাল  উত্তর করিলেন আপনি তো কানহাইয়ার মিত্রোদের ই আক্রমণ করিয়াছেন। যাদবকুল যে কানহাইয়ার  কুল। উহারা কানহাইয়ার  মুক্তির  দাবী করিয়াছে। অতঃপর  দ্রৌপদী হা কানহাইয়া  বলিয়া মূর্ছা  গেলেন । আকাশে বাতাসে ধ্বনিত  হইল তার চীৎকার। কখন যে কানহাইয়ার মুক্তির স্লোগান আর দ্রৌপদীর কান্না মিলিয়া গেল তা তিনি নিজেও বুঝিলেন না।

***ইহা মহাভারতে লিখিত নাই। যদি কখনো মহাভারতবিদ্বেষ বলিয়া  কোন মহাকাব্য লিখা হয় সেখানে থাকিবে।