মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৫

সিনেমার নামঃ- দেওয়া-নেওয়া বা প্রেমপূজারী ~ অনামিকা

​হাপ্প্যান্ট কেঁদে বলে, প্রিয়তম তিনো
গলাগলি ভাব ছিল এই সেই দিনও।
কালিঘাট টালিঘরে নিয়ে দলবল
মাসিমা মালপো খামু, বলেছে অটল।
তারপরে যা ঘটল, কী যে বলি আর,
আমি সেন্ট্রালে, আর তুই সেকুলার।



তিনো বলে হাপ্প্যান্ট, তবে বলি শোনো,
নিজের ধান্দা ছাড়া চলিনি কখনও।
তবুও আশায় থাকি। ভুলে যাস তোরা
নরেনকে পাঠিয়েছি গোলাপের তোড়া।
তোদেরই তো ঘাড়ে চেপে রেলে কয়লায়
করেছি দেদার চুরি… মন যত চায়।
ট্রাপিজের এ' খেলায় ঠিক দড়ি ছুঁয়ে
পৌঁছে গিয়েছি সোজা 'ইউপিএ টু'এ
তারপর মাও-খাও-সারদার তেজে
পেয়ে গেছি নবান্ন। ইতিহাস সে' যে।
কেজরি ও লালুভুলু আরও কত শত
রয়েছে চেয়ার-লোভী ঠিক আমার মত।
গ্রুপ ফটো তোলা হল সে'গুলোর সাথে।
দেখিস পিএম হবো, নেক্সট চান্সটাতে।


হাপ্প্যান্ট কয়, কেস সোজা নয় ভাই
তোর সারদার পিছে মোর সিবিআই।
চেন বাঁধা সে কুকুর হাঁকে ডাকে জোরে
বললেই খ্যাঁক করে কামড়াবে তোরে।
তিনো বলে বৃথা কেন এত খ্যাঁচখ্যাঁচ
সোজা ও সরল এই গট আপের ম্যাচ।
উপরে কুস্তি আর তলে তলে প্রেম।
কী করবে নীতিহীন গাধা ছিপিয়েম?
তোর আছে গরুপূজা। বিপরীতে আমি
অভিনয়ে করে যাই সেকু-ভণ্ডামি।
এই ভাবে দুই স্থায়ী প্রেমিক প্রেমিকা
ভাগ যোগ হিংসার নিয়ে নিল ঠিকা।