সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০১৫

​ শিল্প বিচার ~ কৌশিক সেনগুপ্ত

সিংহাসনে বসল রানি, বাজলো কাঁসর ঘন্টা,
ছটফটিয়ে উঠল কেঁপে সুব্রতদার মনটা,
রানি বলে, 'মন্ত্রী আমার রাজ্যে নেইকো শিল্প?'
মন্ত্রী বলে, 'ল্যাংচা সেটা শিল্প তো নয় অল্প।'
রানি বলেন 'অল্প বেশি দেখুক গিয়ে ববি',
ববি বলে 'আমার কেবল চেতলাটুকুই লবি'।
রানি হাঁকেন 'বোলাও তবে...বেহালার ঐ পার্থ',


পার্থ বলে 'সিন্ডিকেট এর ফোন এলো এইমাত্র
তাদের জ্বালায় বন্ধ যে গেট, শিল্প কোথায় ঢুকবে?'
রানি বলে 'সুবোধ, তবে এগিয়ে এসো, লিখবে'।
সুবোধ বলে, 'সিট মুছেছি হাত-টা ভরা ঘামে,
আপনি বরং এই যাত্রায় ডাকুন আরিন্দমে।'
রানি বলেন 'মদন আসুক গুনলাম এক-দুই-তিন'
মদন বলে 'ছ মাস ধরে করছে মাথা ঝিম-ঝিম,
কাস্টডি তে আছি জেনেও করেনি কেউ দ্রিকপাত,'
বলেই শুল হাসপাতালে চক্ষু বুজে চিৎপাত।
রানির ভাইপো অভি ছিল, তারেই ধরে শেষটা
বললে রানি 'তুই-ই না হয় করনা একটু চেস্টা'।
ভাইপো বলে 'মারতে চাও তো করেই দাও না কিশেন,
শিল্প খুঁজে মরতে হবে এ আবার কি মিসেন?'
ছিল হাজির বৃদ্ধ অমিত, সত্তর সে ছুঁই ছুঁই ,
ভাবল মনে ভয় কেন আর, একদিন তো সরবই,
সাহস করে বললে বুড়ো, 'মিত্থ্যে তোদের ভীতি,
খুঁজতে পারি হুকুম পেলে, এবং পেলে ধুতি'।
নানান দেশে পাড়ি দিয়ে খুঁজল কত শিল্প,
এক পল্টন সঙ্গি গেলো, একটুও নয় গল্প।
রাজ্যে হল জয়জয়কার, পাগলু জোরে বাজলো ,
আর আনন্দে সব শিল্পপতি তেলে ভাজাই ভাজল।

(এই লেখার সমস্ত চরিত্র কাল্পনিক, কেউ যদি এই লেখার সাথে কোন চরিত্র-র মিল পায়, সেটা সম্পূর্ণ তার মস্তিস্ক প্রসুত।)