শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

তাহলে দাঁড়াল কি? ~ সংগীতা দাশগুপ্তরায়

​একদল বাঘা বাঘা ছেলে মেয়ে একটা নেংটি ইঁদুরকে ঘিরে বিক্ষোভ করছিল এবং আলোচনা করছিল নেংটিকে মেরে তার ছাল ছাড়িয়ে নিয়ে কতগুলো জুতো বানানো যাবে। নেংটি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে সিংহসম পুলিশ বাহিনীকে তলব দেয়। পুলিশ আসে সহানুভূতি আর ভালবাসায় বোনা সাদা গেঞ্জী পরে। আসার সময় তারা প্রচুর 'বহিরাগত মাওবাদী' কে দ্যাখে কিন্তু অতিথি দেবো ভবঃ ভেবে তাদের ইগনোর করে ভেতরে চলে যায়। কেউ কেউ অবশ্য ঝটিতি বহিরাগত মাওবাদীদের হাতের অস্ত্রগুলির ছবি তুলে নেয় মোবাইলে যাতে সান্টাকে দেখাতে পারে এই ক্রিসমাসে তাদের ছেলেমেয়েদেরও ওমনি অস্ত্রশস্ত্র চাই। এর পর তারা ক্যাম্পাসে ঢুকে মিষ্টি হেসে ছাত্রদের হাতে মার খায়। অসব্য ছাত্রগুলো আগে পুলিশ-মার খেলা খেলে তারপর নিজেদের মধ্যে মারামারি শুরু করে। পুলিশ তখন ওদের খেলে ভেঙ্গে "রাত হয়েছে, শুবি আয়" বলে কোলে করে থানায় নিয়ে যায়।



সম্পূর্ণ ঘটনা শুনে আমাদের মাননীয়া বলেন এসব হল তিল কে তাল করা। এটা উনি ঠিকই বুঝবেন কারন বিরোধী থাকা কালীন উনি তিল থেকে তাল বানিয়ে সে তালের বড়া বানিয়ে বানিয়ে সারাদিন রাইটার্সে ছুঁড়ে মারতেন তাই তাল দেখে তিল চিনে বার করায় ওনার প্রতিভা প্রশ্নাতীত। 

আপাতত উনি ওনার দুই সহচরী নিলীমা ও সফেদা (যাদেরকে ফালতু জনতা জুন আর লকেট বলে ডাকে)কে বলেছেন সব তিল বয়ামে তুলে রাখতে। প্রতিবছর হতভাগ্য কবি, গায়ক, নায়কদের নিয়মমাফিক তিলকাঞ্চনে সেগুলো ব্যবহার করা হবে।

সফেদি কি চমকার পুলিশ খোকারা এখন যাদবপুর, আনোয়ার শাহ, বাইপাস মোড়ে শান্ত হয়ে বসে লোক দেখছেন এবং ভাবছেন ফুটেজে কি রাণীমা আমাকে দেখতে পেলেন? দেখতে পেলে এক কুনকে "লাভের গুড়" তো বাঁধা...
পুঃ - কায়েতের পো এখন ক্যাম্পাসে ঝাঁট দিয়ে বাকি তিল কুড়িয়ে নিয়ে তা পিষিয়ে তেল বার করে দুবেলা রাণীর পায়ে মাখাচ্ছেন... মাঝে মাঝে হাত কেঁপে যাচ্ছে বটে তবে তা ভয়ে না ভক্তিতে তা ঠাকুর জানেন ।

#hokkolorob