শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৪

​জনমাসটমি : একটি রচনা - পরিমল সেনগুপ্ত

সাজেসান মেলেনি, তাই বানান ভূল খমা করে দেবেন।

কোসচেনটা কমন পড়েনি স্যার। তাই রচনাটা তেমন ঘ্যাম হবে না। পাস করিয়ে দেবেন স্যার। আসলে কী হয়েচে জানেন, আপনি সরসোতি পুজো নিয়ে রচনা দিতেন, আমি ওই ভিজে ভিজে ডাল মাখা, লুচি, বাঁদাকপি, তার পর হলুদ সাড়ি পরা ডালিং – এ সব নিয়ে জমিয়ে লিখে দিতাম স্যার। দুগ্গো পুজো দিতেন, কিসমাস এমন কি ইদ। কিন্তু জনমাসটমির কোনও সোয়াদ আমার জিভে নেই।
যাগ্গে, জনমাসটমি বিসয়ে আম যাহা জানি লিখি। জনমাসটমির দিন সিকিসন তাঁর নিজের বংসে জনমান। কিন্তু তাঁর মামা কংস তখন ভাবেন যে, এই ভাগনে আমাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেবে। তখন তিনি পুলিস পাঠান। কিন্তু আমাদের নতুন সিসুটি তখন রান্নাঘরে ছিলেন, কারণ তখন তিনি মায়ের ফ্রিজ থেকে আমুল ননী চুরি করছিলেন। কিন্তু পুলিস ফিরে এলে আনন্দে সবাই মিলে ঝুলন উৎসব করে। কারণ, পুলিস কিছু না পারলে সব যুগেই পাবলিক হেভি খুসি হয়। ইতিমধ্যে সেই সিসু নানান রকম মারপিটে জড়িয়ে পড়ে। ইস্কুল থেকে ড্রপ আউট হয়ে গরু-ফরু চরায়। তখন সে দেশে মিড ডে মিল চালু ছিল না বলে মনে হয়। সিসুটি ইতিমধ্যে নানা রকম গুন্ডাদের ঠেঙিয়ে হেভি জনোপিয় হয়ে ওঠেন, বিসেস করে কালীয় বলে একটি খতরনাক গুন্ডাকে লেকের মধ্যে মারায় এলাকার জন সাধারণ তাঁকে নিজেদের পতিনিধি বলে মনে করে। এই সময় খুব সম্ভবত তিনি ভুল করে একটা কাছিমও মেরেছিলেন। কিন্তু পরবত্তি কালে তিনি বিপন্নো জানোয়ারদের আর খুন করেননি। যদিও ময়ূরের পালক ব্যাপারট একটু গণ্ডগোলের।
যাই হোক, এর মধ্যে দিয়ে এই জনমাসটমির মহান ব্যাপারটা আমরা বুঝতে পারি, কারণ জনমাসটমি না হলে তো বাকি লাইফটাই হত না। তাই আমরা সকলেই জানি যে জনমাসটমি একটি মহান উতসব। বলা যেতে পারে যে, আগস্ট মাসে আমাদের দুটি উতসব। একটি এই জনমাসটমি আরেকটি আমাদের সাধিন ভারতের জনম দিন। সে দিক থেকে দেখতে গেলে আগস্ট মাসটি এই দুই জনমের জন্য বিখ্যাত। এক জন সিকিসন আরেক জন ইনডিয়া।
যাই হোক, সিসুটি যখন বড় হলো, তখন সাভাবিক ভাবেই সে জানতে চাইল যে চোলিকে পিছে কেয়া হ্যায়? তখনকার দিনে ইস্কুলে জিবনবিগ্যান পড়ানো হোত না বলে সে নদির ধারে ওই সব গোয়ালিনীদের চান দেখতে গেল। আর জলের মধ্যে পুরোটা দেখা যায় না বলে গোয়ালিনীদের জিনস লুকিয়ে রেখে আরও মন দিয়ে দেখে সুনে সব সিখতে চাইল। এতেই বোঝা যায় যে, জনমাসটমির দিন জনম নেওয়া দেবতার সমস্ত বিসয়ে খুব উতসাহ ছিল।
এখন এই ছেলেটি রাজ বংস থেকে কংসের তাড়া খেয়ে গোয়ালা বংসে চলে আসায়, ওর মামিমাও গোয়ালার বউ হয়ে ওঠেন। সেই মামিমার নাম ছিল স্রিমতি রাধারাণি ঘোস, পতি স্রি আয়ান ঘোস। এই বয়েসে সব ছেলেই স্যার মাসিমা, মামিমা, বৌদির সঙ্গে একটু ইনটু-মিনটুতে জড়িয়ে পড়ে, মানে ওই গোঁপ গজানোর সময়, সে আপনাকে আর কি লিকবো। আপনিও জানেন। সে আর আপনাকে বলে লজজা দেবো না। সিনেমা হলে ধারের সিটে এই বয়সে কি আপনি যাননি? কিন্তু আমি লিখলেই নম্বর কাটবেন।
যাই হোক, জনমাসটমিতে জনম নেওয়া সিকিসন এই সময়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে দিল্লি চলে যান। কিন্তু ভুলে ইউপি-তে নেমে পড়েন। সেখানে তখন কুরুখেতর বইটার সুটিং হচ্ছিলো। আমাদের ভাইটির গায়ের রঙ নীল বলে হিরো হতে পারেননি। হিরোর ডেরাইভার হয়ে যান। কিন্তু তিনি এমন হেবি ডায়লগ দেন যে, সেই ডায়লগগুলো সব নিয়ে বই ছাপা হয়ে গেলো। সোনা যায়, ওই হিরোদের ফ্যামিলিতে বউ নিয়ে পোবলেমেও আমাদের সিকিসন জড়িয়ে পড়েন। সেই সব নিয়ে আমি বেসি জানি না। ফ্যামিলির কেচ্ছা স্যার না ঘাঁটাই ভালো।
ওই কুরুখেতর ছবিটা রিলিজ হল না কেন? কেন পরে ওর মেকিংটা টিভিতে দেখাল? কেন আমাদের সিকিসন যে হিরোকে গ্যান দিলো, সেটা আলাদা বই হয়ে গীতা নামে ছাপা হলো? গীতা কি তবে মামিমা রাধার ছোট বোন? স্যার। এ-ই কোসচেনটা আমাকে কুরে কুরে খায়।