শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০১৪

​ব্রিগ্রেড বচন ~ রকল্প ভট্টাচার্য

আজকের সমাবেশে ২৫ লক্ষ মানুষ এসেছেন।(যাঁরা বলছেন আড়াই লাখ, তাঁরা আমাদের প্রতিটি রাবণের একটিমাত্র মাথাই গুনেছেন।)

নন্দীগ্রামে কাণ্ডে সিবিআই কংগ্রেসের এজেন্ট হিসাবে কাজ করেছে। (সাধে কি আমি সারদা কান্ডেও সিবিআই তদন্ত চাইনি? যারাই আমার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পাবে, তারাই...)

আমাকে মানবাধিকার শেখাবেন না।(ওই অধিকার কেবল মানবদেরই শিক্ষণীয়।)

কেন্দ্রে পরিবর্তন আনতে হবে। গ্রামে গিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে সাক্ষর নিন। (আর না দিলে, হ্যাঁরে অনু, কী যেন বললি, গাড়িচাপা না কি?)

কেন্দ্র সব টাকা কেটে নিয়ে না-গেলে বছরে ১০ লক্ষ বেকারদের চাকরি দিতাম।(এই তো, আজই পঁচিশ লক্ষ কে রাহাখরচ হাতখরচ দিয়ে... আর এরকম 'বিগ্রেড' তো আমার লেগেই থাকে...)

মেয়েদের পাশে আমরা পরিপূর্ণ ভাবে আছি। কড়া অ্যাকশান আমরা নিই, নেব। (পার্ক স্ট্রীট কান্ডের পর দময়ন্তী কে বদলি করে দিই নি? কামদুনি-র মূল অভিযুক্তা মৌসুমি কয়ালকে শাস্তি দেওয়াই নি? পাশে আমরা আছি। সামনে আসিনা, পুলিশকেও বারণ করে দিয়েছি সামনে আসতে।)

বিরোধীরা কথায় কথায় কোর্টে যাচ্ছে। সিপিআইএম, কংগ্রেস, বিজেপি এক হয়েছে।(আমি জীবনে আদালতে যাইনি, আমার বিরুদ্ধে, দলের কোনও একজনের বিরুদ্ধে কোনোদিন একটাও কেস উঠেছে? সাহস হয়েছে কারও?)

চিটফান্ডের জনক সিপিআইএম। তৃণমূল চিটফান্ডের টাকায় চলে না।(এই তো, সরদা-র সব টাকা লুটেপুটে সাফ, সুদীপ্তও জেলে। তাই বলে কি আমাদের পার্টি চলছে না?)

তৃণমূল আজ দেশের বিকল্প।(তাই হয় তৃণমূলে যোগ দে, নয়তো দেশ ছাড়।)

বাংলার বাইরে লোকসভার প্রচারে যাব। দিল্লিতে সংহতির সরকার চাই।(নেহাত আমার ইংরাজীটা গরমেন্ট বোঝেনা, না হলে...)

আমি চেয়ার চাই না, মানুষের ভাল চাই।(আমার পেটো মানুষগুলোর ভাল হলে চেয়ার আপসে আসবে, জানি।)

কালো টাকা দেশে ফেরাতে হবে।(আমাদের দিক থেকে সমস্ত চেষ্টা জারি রয়েছে। পার্টি ফান্ডে জমা দিন, হিসাব কেন, কারোকে জানতে দেবোই না।)