সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০১১

কার্যকারণ ~ অনামিকা মিত্র

টিভির ভিতর মিথ্যে ভাষণ দিচ্ছে বাছা পার্থ
(ভাষণ কোথায়? হাসাচ্ছে লোক। ওইটা নেহাত ভাঁড় তো।)

পাগল ছাগল ছদ্মবেশে মিথ্যে এবং ভুলকে

সত্যি বলে রটাচ্ছে ওর নিরেট মাথা চুলকে।

সবাই শুধোয় পার্থ এমন মিথ্যে কেন বলছ?
কবর থেকে চমকে ওঠে বাপরে গোয়েবলস-ও!

শুভেন্দুরা সেই সুযোগে রক্তে ভাসায় পাড়া 

ভুল বুঝি না। কিছুই কি হয় কার্যকারণ ছাড়া?


কর্পোরেটের অন্ধ গোলাম। শেকল বাঁধা গলায়।
এমনি কি আর বলছে কথা? নগদ টাকাই বলায়।

তাই নাকি হে? কারা এখন ঢালছে এমন অর্থ?
হিজ মাস্টার্স ভয়েস মানেই গোপনতম শর্ত।

গোপন তো নয়! ব্যাপার যত ঘটছে তা' প্রকাশ্যে!
সাম্রাজ্যের নির্দেশে আর মনমোহিনী ভাষ্যে।


টাটকা আজও পরমাণুর অপমানের গল্প।
আর তা'ছাড়া বিশ্ববাজার সেটাও তো নয় অল্প।

বামরা নিকেশ হলেই এ'দেশ না ঘরকা না ঘাটকা

পেনশনে আজ রাহুর ছোঁয়া খেলুক পুঁজি ফাটকা

এনডিএ বা ইউপিএ হও মানতে হবে চুক্তি 

গরীব আরও গরীব হলেই অর্থনীতির মুক্তি।

সেই জন্যেই জ্বলবে বসত। মারবে ভুখা লোককে।
খুনসন্ত্রাস... খেলতে হবে সাম্প্রদায়িক লক্ষ্যে। 


এ'সব কিছু ছাপ যেন না ফেলতে পারে চিত্তে

তার জন্যেই চলছে প্রচার হিংস্র ... এবং মিথ্যে। 


আসছে টাকাও। ভাগ করছেন প্রচারকারী পার্থ।
ভিক্ষে কুড়োয় বিদ্দ্বজ্জন... শাঁওলি বা জয়... ব্রাত্য।

পার্থ শোনো,যাদের কেনা সহজ, তাদের কিনো।
মানুষ খালি যায়না কেনা। গুণছে তারা দিনও।