বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০০৯

আর কত দিন ... ~ পারিজাত ভট্টাচার্য্য

আরো কত দিন এরকম সন্ত্রাস চলবে এই রাজ্জ্যে। দার্জিলিং জেলাতে ভোট দিতে গিয়ে শুনলাম যে সেখানকার ভোটার দের বাধ্য করা হচ্ছে, মোর্চাকে ভোট দেবার জন্যে। মুসলিম এবং তিব্বতী সম্প্রদায়ের মানুষকে সন্ত্রস্ত করা হচ্ছে। সাধারণ ভোটারদের জোর করে তুলে নিয়ে, হাতে ভোটের কালি মাখিয়ে, ই ভি এম অবধি যেতে দেওয়া হয়নি। ই ভি এম এর কাছে বসে, মোর্চার এক জঙ্গী নেতা, তিনিই নিজেই ভোটার দের কষ্ট লাঘব করে, নিজের হাতেই ভোট দিচ্ছেন, সব ভোটার দের হয়ে। সবই ঘটলো, নির্বাচন কমিশন কে বূড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে। সাথে আছেন আমাদের নির্বাক দর্শক রাজ্য প্রসাশন। প্রশংগত, বিমল গুরং নির্বাচনের বেশ কয়েক দিন আগেই হুমকি দিয়েছিলেন, যে দার্জিলিং এ ওনারদের ইচ্ছা মতো ভোট হবে, কংগ্রেসীদেরও ছাড়া হবে না। কংগ্রেস অবশ্য এই বিশয়ে চুপ। ঠিক যেমন ভাবে হুমকি দিয়েছিলেন আমাদের লালগডের নব্য নায়ক ছত্রপতি ছত্রধর। ঊত্তরের নির্বাচনে এই সন্ত্রাসের পরেও রাজ্য প্রসাসনের পক্ষ্য থেকে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন যে বিরোধী দের সাথে আলোচনা করতে হবে। মজার ব্যাপার, একদিকে আলোচনা চলবে, আর একদিকে আমাদের পার্টীকর্মী খুন হবে, মোর্চার, তৃনমুলি আর মাওবাদীদের হাথে। দার্জিলিং এ কয়েক ব্যাটেলিয়ন কেন্দ্রীয় পূলিশবাহিনী আসার কথা ছিলো, কোথায় তারা? তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে পাঠানো হয়নি। ভালোই সক্রীয় সাম্রাজ্যবাদ, কমিঊনিষ্ট নিধন যজ্ঞ্যে। গাড়ীর নম্বর প্লেটে জি এল লেখা, সরকারী অফিসের বোর্ডে গোর্খাল্যান্ড সরকার লেখা, রাস্তা কাটা, গাছ ফেলা আবার অরন্যে সেই দূর্মুল্য গাছ, চোরাচালানকারীদের হাথে বিক্রী করা, সি পি এম এর কর্মি/ সমর্থক মারা, সবই চলছে নির্দ্বিধায়ে। আমরা মার খেয়ে যাবো, নন্দীগ্রাম, লালগড় দার্জিলিঙ্গে। নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলছে, তার মধ্যে চলছে বুথ দখল, নির্বাচনী কর্মী খুন, মাইনবিষেশগ্য রা তৎপর। সাথে দৈনিক সি পি এম পার্টি কর্মী খুন। কোনো সি বি আই তদন্তের দাবী নেই, সুশীল সমাজ চুপ এবং উলটে ওনারা আনন্দিত, নির্লজ্জভাবে বৈদুতিন সংবাদ্মাধ্যমের কাছে ওনাদের স্বীকার, তারা আনন্দিত এই নিধনযজ্ঞে। গোয়েবেলসের বংশধরেরাও তৎপর। আনন্দবাবুরা আনন্দিত। আজ অর্থাৎ ৭/০৫/২০০৯ এ এই বাংলার দ্বিতিয় দফা নির্বাচন। সকাল থেকেই অশান্ত, নন্দিগ্রাম, আসানশোল, কৃষ্ণনগর ডোমকল। চলছে তৃনমুলী, মাওবাদী আর কংগ্রেসী দের সন্ত্রাসের খেলা। বুথ দখলের এক প্রতিযগিতা। বিমল গুরং এর রেকর্ড ভাংগতে হবে আর সি পি এম নিধন যজ্ঞে হিটলারকেও হারাতে হবে। এই শপথ নিয়েই বোধহয় মা-মাটি-মানূষ এর উদ্দেশে নিজেকে “উৎসর্গ” করে, দিদি আর তার বাহিণী ময়দানে নেমে পড়েছেন। মারা যাচ্ছে সাধারণ পার্টিকর্মি- সমর্থক। তাদের নিরাপত্তা নেই। আতঙ্কের দিন গুনছেন ওনারা। কবে প্রান যায়। সাথে আছে পার্টীর প্রতি দায়বদ্ধতা, ভালোবাসা। শহীদ হচ্ছে। কিন্ত এরকম আর কতদিন? বাংলার মাটি আর কতদিন শহীদের রক্তে ভিজবে। প্রশাসন চুপ। পার্টি রাজ্য কমিটি বলছেন, ধৈর্য্য ধরতে। এদিকে মরছে পার্টিকর্মিরা। কোথায় তাহলে গনতন্ত্র। ২৩৫ তা আসন তো জানতাম, গনতন্ত্র (সাংবিধানিক পরিভাষায়)। ১১৫১ টি পরিবার, সিঙ্গুরে জমিদাতা, (মোট জমিদাতাদের ৮৫%) , সেটাও তো জানতাম গনতন্ত্র। কিন্ত সেই গনতন্ত্র এবং মানুষের প্রত্যয় এবং বিশ্বাসের একি পরিনিতি। গনতন্ত্র হত্যাকারীদের দলেদের সঙ্খায়ও ত খুব তাৎপর্যপূর্ণ নয়। তাহলে তো বোঝা যায় যে গনতন্ত্র হত্যাকারীদের যুগ, ১৯৭০-৭২ এর আধা-ফ্যাসিস্তদের যুগ আবার ফিরে আসলো। প্রশাসন নির্বিকার, সাধারন মানুষ তাই দিন গুনছে আবার আতঙ্কের দিনের অপেক্ষায়। অনেকপার্টীকর্মী রা ্তাই নিরুপায়ভাবে দিন গুনছে, ন্রৃশংসভাবে খুন হবার অপেক্ষায়।

-----------------------------------------------------------------------------------

May 7, 2009


Press Release



Shri Jogendra Sharma, Member, Central Secretariat of the Communist Party
of India (Marxist) met the Dy. Election Commissioner Shri Balakrishnan
this afternoon to appraise him of the incidents of rigging in the
Nandigram area of 210 Nandigram AC under 30 Tamluk Parliamentary
Constituency in West Bengal.


He handed over a memorandum listing out 42 polling booths that were
forcibly captured by hoodlums belonging to the Trinamul Congress. CPI(M)
polling agents were not allowed to enter these booths. Several CPI(M)
workers have suffered injuries in the attacks. It was also pointed out
that the Biman Basu, Secretary of the West Bengal State Committee of the
Party and the Secretary of the Purba Medinipur District Committee had
written to the West Bengal CEO on several occasions detailing the
situation and seeking his intervention to ensure free and fair polls in
the constituency.


The Party has demanded repoll in 50 polling booths in the Tamluk
Parliamentary constituency.